দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক রূপরেখা।
প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা হবে।
মৌলিক রাষ্ট্র কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে একটি গণতান্ত্রিক ও যুগোপযোগী সংবিধান সংশোধন নিশ্চিত করা হবে।
সংবিধানের প্রয়োজনীয় সকল সংশোধনী পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে।
জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী দায়বদ্ধ, স্বচ্ছ ও কার্যকর একটি সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হবে।
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।
গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে মিডিয়া কমিশন গঠন এবং সাগর-রুনি হত্যাসহ সকল সাংবাদিক নির্যাতনের বিচার করা হবে।
যুগোপযোগী বিজ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণামুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
শিক্ষিত বেকারদের জন্য এক বছর পর্যন্ত বেকার ভাতার ব্যবস্থা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
যুক্তরাজ্যের NHS মডেলের আদলে সবার জন্য রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা এবং স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান করা হবে। বাজেটে ৫% বরাদ্দ রাখা হবে।
দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ প্রশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া হবে।
এই ৩১ দফা মূলত জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা এবং বেগম খালেদা জিয়ার 'ভিশন-২০৩০' এর আধুনিক ও বিস্তারিত প্রতিফলন।